Buty Obuwie

যেসব রেকর্ড ডাকছে মেসি, রোনালদো, এমবাপ্পে, ইয়ামালদের

· Prothom Alo

২০২৬ বিশ্বকাপে যেসব রেকর্ডের সামনে লিওনেল মেসি থেকে কিলিয়ান এমবাপ্পে, লামিনে ইয়ামাল ও থিবো কোর্তোয়া। মাঠে নামলেই তাঁরা গড়বেন দারুণ সব কীর্তি।

Visit moryak.biz for more information.

সবচেয়ে বয়স্ক কোচ

রেকর্ডধারী: ওটো রেহাগেল (৭১ বছর)

ভাঙতে পারেন যাঁরা: ডিক অ্যাডভোকাট (৭৮ বছর)

গ্রিসকে ২০০৪ ইউরো জেতানো জার্মান ‘কিং’ ওটো রেহাগেল বিশ্বকাপে সবচেয়ে বয়স্ক কোচের রেকর্ড গড়েন ২০১০ সালের আসরে। সেটা ২২ জুন আর্জেন্টিনার বিপক্ষে ২-০ গোলে হারের ম্যাচে। ওটোর সে রেকর্ড এবার ভেঙে দিতে পারেন ডাচ কোচ ডিক অ্যাডভোকাট।

ডিয়েগো ম্যারাডোনার সঙ্গে ওটো রেহাগেল

৭৮ বছর বয়সী এই কোচের হাত ধরে আগেই ২০২৬ বিশ্বকাপে খেলার টিকিট পেয়েছে জনসংখ্যা বিচারে ক্ষুদ্রতম দেশ হিসেবে বিশ্বকাপে খেলার যোগ্যতা অর্জন করা কুরাসাও। দক্ষিণ আফ্রিকার কোচ হুগো ব্রোসের বয়সও ২০২৬ বিশ্বকাপে ৭৪ বছর পেরিয়ে যাবে।

সেই দিয়াজের গোলেই শেষ আটে মরক্কো, প্রতিপক্ষ ক্যামেরুন

নকআউটে সবচেয়ে বয়স্ক গোলদাতা

রেকর্ডধারী: পেপে (৩৯ বছর)

ভাঙতে পারেন যাঁরা: ক্রিস্টিয়ানো রোনালদো (৪১ বছর), লুকা মদরিচ (৪০ বছর), এডিন জেকো (৪০ বছর)

পেপে হতে পারেন ক্রিস্টিয়ানো রোনালদোর একসময়ের ক্লাব ও জাতীয় দল সতীর্থ। ‘ভাই’ বলে ডাকলেও ২০২৬ বিশ্বকাপে পেপের একটি রেকর্ড অবশ্যই দখল করতে চাইবেন রোনালদো। ২০২২ বিশ্বকাপের শেষ ষোলোয় সুইজারল্যান্ডের বিপক্ষে পর্তুগালের হয়ে ৩৯ বছর ২৮৩ দিন বয়সে গোল করেন পেপে, সেটা বিশ্বকাপের ইতিহাসে নকআউট পর্বে সবচেয়ে বয়স্ক গোলদাতার রেকর্ডটির দখল পাইয়ে দেয় তাঁকে। এবার সেই রেকর্ড হুমকির মুখে।

পর্তুগালের হয়ে রোনালদো ও ক্রোয়েশিয়ার হয়ে মদরিচের রেকর্ডটির দখল নেওয়ার সুযোগ আছে। যদিও বিশ্বকাপের নকআউট পর্বে তাঁদের কেউ এর আগে গোল পাননি। সুযোগ আছে আরেকজনের—আগামী মার্চে ৪০ বছর পূর্ণ করতে যাওয়া বসনিয়া-হার্জেগোভিনার স্ট্রাইকার এডিন জেকো।

পর্তুগালের কিংবদন্তি ডিফেন্ডার পেপে

কোচ হিসেবে সবচেয়ে বেশি ম্যাচ

রেকর্ডধারী: হেলমুট শোন (২৫ ম্যাচ)

ভাঙতে পারেন যিনি: দিদিয়ের দেশম (১৯ ম্যাচ)

টানা চারটি বিশ্বকাপে জার্মানির কোচের দায়িত্ব পালন করেন হেলমুট শোন। ১৯৬৬ বিশ্বকাপ থেকে ১৯৭৮ বিশ্বকাপ পর্যন্ত—এর মধ্যে তৎকালীন পশ্চিম জার্মানিকে জিতিয়েছেন ১৯৭৪ বিশ্বকাপ। শোন কোচ হিসেবে বিশ্বকাপে সর্বোচ্চ ম্যাচে (২৫) ডাগআউটে দাঁড়িয়েছেন। এবার তাঁর সেই রেকর্ড ভেঙে দিতে পারেন ফ্রান্সকে ২০১৮ বিশ্বকাপ জেতানো কোচ দিদিয়ের দেশম। ২০২৬ বিশ্বকাপের কোয়ার্টার ফাইনালে উঠলে শোনের রেকর্ড ছুঁয়ে ফেলবেন দেশম। কোয়ার্টার ফাইনাল টপকে যেতে পারলে ভাঙার সুযোগ পাবেন। বিশ্বকাপে কোচ হিসেবে সবচেয়ে বেশি ম্যাচ জয়ের রেকর্ডটিও শোনের (১৬ জয়) কাছ থেকে দখলে নিতে আরও তিনটি জয় চাই দেশমের। বিশ্বকাপে ফ্রান্সের কোচ হিসেবে ১৯ ম্যাচে ১৪ জয়, ৩ ড্র ও ২ ম্যাচ হেরেছেন দেশম।

বিশ্বকাপে মেসি থাকলে আর্জেন্টিনার লাভ হবে নাকি ক্ষতি, যা বললেন মুলার

সর্বকনিষ্ঠ গোল্ডেন বলজয়ী

রেকর্ডধারী: রোনালদো নাজারিও (২১ বছর)

ভাঙতে পারেন: অনেকেই

১৯৯৮ বিশ্বকাপ ফাইনালে ফ্রান্সের কাছে হারে ব্রাজিল। সে বিশ্বকাপে ৪ গোল করে এবং ৩টি গোল বানিয়ে ২১ বছর বয়সে গোল্ডেন বল (সেরা খেলোয়াড়) জেতেন ব্রাজিলের কিংবদন্তি রোনালদো নাজারিও। তাঁর সেই রেকর্ড এবার স্পেনের হয়ে ভাঙার সুযোগ পাচ্ছেন ১৮ বছর বয়সী লামিনে ইয়ামাল, ফ্রান্সের ২০ বছর বয়সী দেজিরে দুয়ে।

২০০২ বিশ্বকাপে ব্রাজিলের হয়ে শিরোপা জেতেন রোনালদো নাজারিও

খেলোয়াড় হিসেবে সবচেয়ে বেশি জয়

রেকর্ডধারী: মিরোস্লাভ ক্লোসা (১৭)

ভাঙতে পারেন: লিওনেল মেসি (১৬)

২০০২ থেকে ২০১৪ পর্যন্ত টানা চারটি বিশ্বকাপে খেলেছেন জার্মানির সাবেক স্ট্রাইকার মিরোস্লাভ ক্লোসা। ১৬ গোল করে বিশ্বকাপের সর্বোচ্চ গোলদাতা ক্লোসা খেলোয়াড় হিসেবে সবচেয়ে বেশি ম্যাচেও জয় পেয়েছেন (২৪ ম্যাচে ১৭ জয়)। ২০২৬ বিশ্বকাপের গ্রুপ পর্বে তাঁর রেকর্ড নিজের করে নিতে পারেন আর্জেন্টিনার কিংবদন্তি লিওনেল মেসি (২৬ ম্যাচে ১৬ জয়)। এবার বিশ্বকাপের গ্রুপ পর্বে আর্জেন্টিনার প্রতিদ্বন্দ্বী আলজেরিয়া, অস্ট্রিয়া ও জর্ডান।

সর্বোচ্চ গোলদাতা

রেকর্ডধারী: মিরোস্লাভ ক্লোসা (১৬)

ভাঙতে পারেন: লিওনেল মেসি (১৩) ও কিলিয়ান এমবাপ্পে (১২)

রোনালদো নাজারিওর দেশ ব্রাজিলে আয়োজিত ২০১৪ বিশ্বকাপে তাঁর সর্বোচ্চ গোলের রেকর্ডটি নিজের করে নেন মিরোস্লাভ ক্লোসা। সেটা মারাকানায় ব্রাজিলেরই বিপক্ষে সেমিফাইনাল ম্যাচে। ক্লোসার সেই রেকর্ড এবার হুমকির মুখে। ২৬ ম্যাচে ১৩ গোল নিয়ে তাঁর রেকর্ড ভাঙার সবচেয়ে কাছে আর্জেন্টাইন কিংবদন্তি লিওনেল মেসি। ১৪ ম্যাচে ১২ গোল নিয়ে তাঁর পরই আছেন ফরাসি স্ট্রাইকার কিলিয়ান এমবাপ্পে। হ্যারি কেইন, নেইমার ও ক্রিস্টিয়ানো রোনালদোর গোল ৮টি করে।

জার্মানির সাবেক স্ট্রাইকার মিরোস্লাভ ক্লোসা

বদলি হিসেবে সর্বোচ্চ ম্যাচ

রেকর্ডধারী: দেনিলসন (১১)

ভাঙতে পারেন: মার্কাস রাশফোর্ড

বিশ্বকাপে ব্রাজিলের ম্যাচে দৃশ্যটি নিয়মিত হয়ে গিয়েছিল—বেঞ্চ থেকে মাঠে নেমে ব্রাজিলের বাঁ উইংয়ে ড্রিবলিংয়ের খেল দেখাচ্ছেন দেনিলসন। ১২টি বিশ্বকাপের ম্যাচ খেলে ১১টিতেই বদলি হিসেবে মাঠে নেমেছেন সাবেক এই উইঙ্গার। ৯ বার বদলি হিসেবে মাঠে নামা ইংল্যান্ডের স্ট্রাইকার রাশফোর্ড এবার তাঁর রেকর্ড ভেঙে ফেলতে পারেন।

সর্বোচ্চ ক্লিন শিট

রেকর্ডধারী: পিটার শিলটন ও ফাবিয়েন বার্থেজ (১০)

ভাঙতে পারেন: থিবো কোর্তোয়া (৭)

বিশ্বকাপে সর্বোচ্চ ১০ ম্যাচে ক্লিন শিটের (গোল হজম নেই) রেকর্ডটি ১৯৯০ আসরে গড়েন ইংল্যান্ডের কিংবদন্তি গোলকিপার পিটার শিলটন। ২০০৬ বিশ্বকাপে তাঁর সেই রেকর্ড ছুঁয়ে ফেলেন ফ্রান্সের কিংবদন্তি ফাবিয়েন বার্থেজ। তাঁদের এই রেকর্ড ধরে ফেলার বেশ কাছেই আছেন বেলজিয়ামের ৬ ফুট ৭ ইঞ্চি উচ্চতার গোলকিপার থিবো কোর্তোয়া। বিশ্বকাপে ১৫ ম্যাচ খেলে ৭টিতে ক্লিন শিট কোর্তোয়ার।

সর্বোচ্চ ফাইনাল

রেকর্ডধারী: কাফু (৩)

ভাঙতে পারেন: কিলিয়ান এমবাপ্পে ও লিওনেল মেসি (২)

‘এক্সপ্রেস ট্রেন’খ্যাত কাফু ব্রাজিলের হয়ে ১৯৯৪, ১৯৯৮ ও ২০০২ বিশ্বকাপ ফাইনালে খেলেছেন। তাঁর দেশের কিংবদন্তি পেলে তিনবার বিশ্বকাপ জিতলেও ১৯৬২ ফাইনালে ছিলেন না। মেসি ২০১৪ ও ২০২২ ফাইনালে খেলে শেষবার চ্যাম্পিয়ন হন। এমবাপ্পে ২০১৮ ও ২০২২ বিশ্বকাপ ফাইনালে খেলে প্রথম দফায় চ্যাম্পিয়ন হন। কাফুর রেকর্ডটি এবার ভেঙে দেওয়ার সুযোগ পাবেন মেসি ও এমবাপ্পে।

ব্রাজিলের হয়ে ২০০২ বিশ্বকাপ জেতেন কাফু

সবচেয়ে বেশি টুর্নামেন্টে হ্যাটট্রিক

রেকর্ডধারী: গ্যাব্রিয়েল বাতিস্তুতা (২)

ভাঙতে পারেন: হ্যারি কেইন, কিলিয়ান এমবাপ্পে, গনসালো রামোস ও ক্রিস্টিয়ানো রোনালদো (১)

‘বাতিগোল’খ্যাত গ্যাব্রিয়েল বাতিস্তুতা একমাত্র খেলোয়াড় হিসেবে দুটি বিশ্বকাপে হ্যাটট্রিক করেছেন। ১৯৯৪ বিশ্বকাপে গ্রিস ও ১৯৯৮ বিশ্বকাপে জ্যামাইকার বিপক্ষে। এ পর্যন্ত বিশ্বকাপের এক আসরে হ্যাটট্রিক করা কেইন, এমবাপ্পে, রামোস ও রোনালদো এবার তাঁর রেকর্ড ভেঙে দিতে পারেন। ২০২২ বিশ্বকাপ ফাইনালে হ্যাটট্রিক করা এমবাপ্পে আগামী বিশ্বকাপে সেনেগালের বিপক্ষে ফ্রান্সের প্রথম ম্যাচেও হ্যাটট্রিক করতে পারলে গার্ড মুলার ও স্যান্ডর ককসিসের পর তৃতীয় খেলোয়াড় হিসেবে টানা দুই ম্যাচে হ্যাটট্রিক করার গৌরব অর্জন করবেন।

Czytaj dalej u źródła

Ce qu’il faut savoir ce vendredi | Fin de session à Québec, SpaceX et Carney en France

· La Presse

Tongaat Hulett’s fate to be decided at liquidation hearing

· Moneyweb